প্রকাশ: ১১:১৪:০০ এএম, ১৫ মার্চ ২০১৮
বিনিয়োগকারীদের ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ!

পুঁজিবাজারে টানা দরপতনের কবলে পড়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা দিশেহারা। শেয়ারবাজারে তাদের রক্তক্ষরণ চলছেই। কোন কিছুতেই শেয়ার দরে পতন থামছে না। বাজার সংশ্লিষ্টরা মাঝে মাঝে নিজেদের জাহির করার জন্য সাংবাদিকদের মুখোমুখি হচ্ছেন। কিন্তু কার্যকর পথে তাঁরা পা বাড়াচ্

এদিকে, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা সর্বশান্ত হয়ে দীর্ঘশ্বাস নিয়ে পুঁজিবাজার ত্যাগ করছেন। ফেসবুকে বিভিন্ন রকম স্ট্যাটাস দিয়ে তারা তাদের আর্তনাদ জানাচ্ছেন। শালীন-অশালীন ভাষায় নিজেদের কষ্ট-দু:খ-যন্ত্রণা-ক্ষোভ ফেসবুকে প্রকাশ করছেন। এবার শেয়ার ক্রয় প্রক্রিয়ায় অভিনব প্রক্রিয়া গ্রহণ করে পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনের ব্যতিক্রমী এক প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারপর নিস্কৃতি মিলেনি। সেই অভিনব প্রক্রিয়ায়ও আগ্রাসী থাবা দেখা দিয়েছে।

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার বেশ ইতিবাচক প্রবণতায় বাজারের লেনদেন শুরু হয়। এক পর্যায়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ৫০ পয়েন্টের বেশি উঠে যায়। বিনিয়োগকারীদের মুখে কিছুটা স্বস্তির রেখা ফুটতে শুরু করে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই স্বস্তির রেখায় কালিমা পড়ে যায়। সূচক ক্রমাগত নামতে থাকে। দুপুর বারোটার দিকে সূচক যেখান থেকে যাত্রা করেছিল, সেখানে এসে কিছুটা দম নিতে দেখা যায়। এ সময়ে কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা অভিনব ক্রয় আবেদন দিয়ে তাদের ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ জানাতে থাকে। 

একটি কোম্পানিটির স্কীনশর্টে দেখা যায়, এ সময়ে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার ৫১২ টাকা থেকে ৫১০ টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ক্রয় আবেদন দেখা যায় ৪টি শেয়ারের। বেশিরভাগই ১টি শেয়ারের ক্রয় আবেদন। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারের ক্রয় আবেদন যতটা দৃশ্যমান ছিল, ততটা স্তরেই অভিন্ন চিত্রের দেখা মিলে। 
বিষয়টি নিয়ে আবুল কালাম নামে এক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বলেন, “বাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে আমরা সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের বারবার দারস্থ হচ্ছি। নিরব প্রতিবাদ করছি। সরব প্রতিবাদ করছি। বিক্ষোভ প্রদর্শনও করছি। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। যারা বাজার ঠিক করার দায়িত্বে রয়েছেন, তারা সবাই ধান্দাবাজ। লুটপাটের পাঁয়তারায় ব্যতিব্যস্ত। বাজার পড়লেও তাদের লাভ। বাজার উঠলেও তাদের লাভ। উভয় বেলায় কেবলই আমরাই শাখের করাত।”