প্রকাশ: ০৮:৪৫:০০ পিএম, ২২ মে ২০১৮
গ্যাস কূপ খনন এলাকা উন্নয়নে ক্রয় প্রস্তাব

বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক : জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন ২০১০’এর আওতায় ‘রূপকল্প-২’শীর্ষক প্রকল্পের অধীন ‘জকিগঞ্জ-১&

সূত্র জানায়, ২০২১ সালের মধ্যে প্রায় ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট স্থানীয় প্রাকৃতিক গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করার লক্ষ্যে বাপেক্স ১০৮টি কূপ খননের কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ১০৮টি কূপের মধ্যে ৫৩টি অনুসন্ধান কূপ, ৩৫টি উন্নয়ন কূপ ও ২০টি ওয়ার্কওভার কূপ রয়েছে। কিন্তু প্রচলিত ক্রয় সংক্রান্ত বিধি অনুসরণ করে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান, আবিষ্কার ও উন্নয়ন করে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে।

সূত্র জানায়, সরকারের ‘রূপকল্প-২০২১’বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্যাস উন্নয়ন তহবিল ও জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিলের অর্থায়নে ২০১৬-২০১৭ এবং ২০১৭-২০১৮ সময়ের জন্য বাপেক্স কর্তৃক গৃহীত বিশেষ উদ্যোগের ১০টি প্রকল্প ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন ২০১০’এর আওতায় বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন নেওয়া হয়। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য একটি ‘প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ কমিটি’রয়েছে এবং প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ কমিটিকে সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি কারিগরি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, ‘রূপকল্প-২’শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে ‘জাকিগঞ্জ-১’অনুসন্ধান কূপ খনন এলাকায় বালি ভরাটের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন ও অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ কাজের জন্য এলটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে চারটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- মেসার্স শিবব্রত ভৌমিক, মো. মাহমুদুল হাসান তোফা, মেসার্স পুষ্পা কনস্ট্রাকশন এবং মেসার্স ফাহিম এন্টারপ্রাইজ। এদের মধ্যে মেসার্স শিবব্রত ভৌমিক প্রাক্কলিত মূল্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে।

সূত্র জানায়, কারিগরি উপ-কমিটি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করতে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান মেসার্স শিবব্রত ভৌমিকের নামে কাজটি দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ক্রয় প্রস্তাবটি অনুমোদন দেওয়া হলে সরকারি ক্রয় নীতিমালা অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরদাতাকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ দেওয়া হবে।

বাংলার কন্ঠ/২২ মে ২০১৮/এ এইচ