ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩


দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে মারা গেছেন ১২ জন

মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ | ০৪:৩৪:২৫ pm

দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে মারা গেছেন ১২ জন।  আহত হয়েছেন আরো ৯ জন।  আজ মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ ও দিনাজপুরে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।  

সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের দিরাই ও শাল্লা উপজেলায় পৃথক তিন স্থানে বজ্রপাতে শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।  আহত হয়েছেন আরো ৭ জন।  

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।  আহতদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ঝড়ো বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়।  এসময় দিরাই উপজেলার মাটিয়ারপুর গ্রামের পাশের হাওরে মাছ ধরার নৌকায় থাকা জেলেদের ওপর বাজ পড়ে। এতে ঘটনস্থালেই দুজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন দিরাই উপজেলার মাটিয়ার গ্রামের কনাই মিয়ার ছেলে শামীম আহমদ (২০) ও আব্দুল হাসিমের ছেলে তহুর আলম (৩৫)।  এ ঘটনায় আহত হন আরো ৬ জন।
 
একই সময়ে উপজেলার টুক দিরাই গ্রামে বাড়ির পাশে খেলার করার সময় বজ্রপাতে শামরান হোসেন (১১) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়।

অপরদিকে সকাল ১০ টার দিকে শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইল গ্রামের বেড়ামনা হাওরে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে আরো ৩ জেলের মৃত্যু হয়েছে।

নিহতরা হলেন  শ্রীহাইল গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে হৃদয় মিয়া (১৮), আক্কল আলীর ছেলে ইমন মিয়া (২০) ও হায়দর আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (২২)।  

দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল জলিল ও শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বজলার রহমান এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের মধুপুরে বজ্রপাতে ঘুমন্ত অবস্থায় বাবা নিখিল হাজং (৪৫) ও দুই শিশু ছেলে জর্জ সিমসাং (১০) ও লোটন সিমসাং (৮) মারা গেছেন।  এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন মা জনতা সিমসাং (৪০)।

মঙ্গলবার ভোর রাতে মধুপুর বনের মাগন্তিনগর পচারচনা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ভোর রাতে বৃষ্টির সময় গারো পরিবারের নিখিল হাজংয়ের শোবার ঘরের ওপর বজ্রপাত হয়। এতে ঘুমিয়ে থাকা নিখিল হাজংসহ তার দুই শিশু সন্তান জর্জ সিমসাং ও লোটন সিমসাং মারা যায়। এসময় তাদের মা জনতা সিমসাংয়ের শরীর ঝলসে যায়।

কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে মা ও ছেলে মারা গেছেন।  আহত হয়েছেন মেয়ে।

নিহতরা হলেন মারুফ মিয়ার স্ত্রী ললিতা (৪০) ও ছেলে রিমন (১৫)।  বজ্রপাতে তাদের মেয়ে বিউটি (২০) গুরুতর আহত হন।  তাকে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

করিমগঞ্জ থানার ওসি জাকির রাব্বানী বলেন, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে গুজাদিয়া ইউনিয়নের করমসী গ্রামের কৃষক মারুফ মিয়ার বাড়িতে বজ্রপাত হয়।

দিনাজপুর : বজ্রপাতে দিনাজপুরের খানসামায় মতি চন্দ্র রায় (৩৪) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় খানসামার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ানগর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মতি চন্দ্র রায় খানসামা উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ানগর গ্রামের পণ্ডিত পাড়ার মৃত মেঘনাদ চন্দ রায়ের ছেলে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ধানক্ষেতে কাজ করার সময় বৃষ্টি শুরু হয়।  এসময় বজ্রপাতের কবলে পড়ে মতি চন্দ্র রায় মারা যান।

বাংলারকণ্ঠ ডটকম/ঢাকা/২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬/এ এইচ/এস আই