ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩


‘পরিচ্ছন্নকর্মীর’ চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু?

শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ | ১১:২৪:৫৬ pm

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসকের পরিবর্তে এক যুবকের চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
 
শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিপ্লব সরকার মণ্ডলের (২২) মৃত্যু হয়।
 
কেরানীগঞ্জের মধ্যচরের বিনোদ সরকার মণ্ডলের ছেলে বিপ্লব সরকার মণ্ডল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হলে গত রোববার রাতে তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ২০০ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
 
বিপ্লবের মা ননী দাসী রাণী বলেন, ছেলের শ্বাসকষ্ট হওয়ায় শুক্রবার বিকেলে তিনি দায়িত্বরত চিকিৎসককে বিষয়টি জানান। চিকিৎসক এসে তাকে দেখে কর্তব্যরত নার্সকে নেবুলাইজেশন ও ইনজেকশন দিতে বলেন।
 
তিনি বলেন, কিছুক্ষণ পরে সেই নার্স না এসে লেবুলাইজেশন ও ইনজেকশন নিয়ে অন্য এক ব্যক্তি আসেন। তিনি বিপ্লবের নাভির নিচে ইনজেকশন দিলে বিপ্লব জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
 
আমাদের ঢামেক হাসপাতাল প্রতিনিধি জানতে পেরেছেন, নার্সের পরিবর্তে যিনি বিপ্লবকে ইনজেকশন দিয়েছেন, তার নাম সুমন। সুমন হাসপাতালের চিকিৎসক বা চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট কেউ নন। তিনি বহিরাগত। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে হাসপাতালে ঝাড়ু দেন।
 
বিপ্লব মিডফোর্ডে হাসপাতালের একটি ওষুধের দোকানের কর্মচারী ছিলেন। তার মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
 
সুমন মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মো. সালাহ উদ্দিনের ছেলে। রোগীর মৃত্যুর পর তার স্বজনরা সুমনকে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
 
ঘটনার পর হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডে গিয়ে রোগীর ‘রেকর্ড’ পাওয়া যায়নি। ফলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্স কারা ছিলেন, তা জানা সম্ভব হয়নি।

বাংলারকণ্ঠ ডটকম/ঢাকা/২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬/এস আই/জে এইচ