logo
প্রকাশ: ১০:৪৪:০০ এএম, ০৬ মার্চ ২০১৮
অর্থমন্ত্রী পাটের বিকাশে বাধা : পাট প্রতিমন্ত্রী

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেছেন, অর্থমন্ত্রী পাটের বিকাশে বাধা । পাট নিয়ে অর্থমন্ত্রী নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। অর্থমন্ত্রীর এ নেতিবাচক মনোভাবের প্রভাব অর্থ মন্ত্রণালয়েও পড়েছে।

সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘পাটের উন্নয়ন

মির্জা আজম বলেন, ‘আমার মনে হয় বিশ্বব্যাংকের কিছু প্রেতাত্মা এখনও অর্থ মন্ত্রণালয়ে বসে আছে। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণার পরও পাটকে কৃষিজাত পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির ফাইল এখনও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলে আটকে আছে। অর্থমন্ত্রী পাটকে পছন্দ করেন না, যার কারণে তিনি এটাকে এখনও কৃষিপণ্যে অন্তর্ভুক্ত করছেন না।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাটের উন্নয়নে পরিকল্পনা কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় অনেক ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। পরিকল্পনা কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাটের কোনো ফাইল গেলেই এর গতিমন্থর হয়ে যায়। পরিকল্পনা কমিশনে একটি প্রকল্প তিনবার উঠার পরেও পাস হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ে এখনও পাটকে কৃষিপণ্যে অন্তর্ভুক্তির ফাইল আটকে আছে। অথচ আমার বস্ত্র মন্ত্রণালয়ে ফাইল গেলে তা ঠিকই পাস হয়ে আসে।

মির্জা আজম বলেন, পাট থেকে বর্তমানে চা তৈরি হচ্ছে, আর তা বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। কয়েক বছর ধরেই পাটখড়ি থেকে তৈরি চারকোল বিদেশে রফতানি হচ্ছে। মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় রফতানি বন্ধ ছিল। তবে তা আবারো শুরু হয়েছে। পাটের বহুমুখীকরণের ফলে প্রতিনিয়তই এ খাতে উদ্যোক্তা বাড়ছে। আমরা আইনটি এমনভাবে করেছি পণ্যে ৫০ শতাংশ পাটের ব্যবহার থাকলেই তা কৃষিজাত পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। এতে উদ্যোক্তারা পণ্য রফতানিতে নগদ ২০ শতাংশ অর্থ সহায়তা পাবে।

তিনি বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই সরকার দেশে ভিসকস ফ্যাক্টরি স্থাপন করবে। পাট নিয়ে আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি। সময় আসবে একসময় আমরা আর কোনো কাঁচাপাট রফতানি করব না। দেশেই সমস্ত পাট দিয়ে বহুমুখীকরণ পণ্য উৎপাদন করা হবে।

সম্পাদক: সাইফুল ইসলাম অফিস ঠিকানা: ৪০ নর্থ রোড, ভুতের গলি, ধানমণ্ডি, ঢাকা-১২০৫। মোবাইল: ০১৭৭৬৪১৪২৪৬, ইমেইল: [email protected]