1. [email protected] : বাংলারকন্ঠ : বাংলারকন্ঠ
  2. [email protected] : বাংলারকন্ঠ.কম : বাংলারকন্ঠ.কম
  3. [email protected] : nayan : nayan
বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১২:২০ অপরাহ্ন
হেডলাইন :
সাশ্রয়ী মূল্যে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত: অর্থ উপদেষ্টা চিকিৎসার জন্য আজ লন্ডন যাবেন খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো রাজধানীতে হলো “নিউ ইয়ার, নিউ মিশন’’ সম্মেলন অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান মারা গেছেন পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে বৃক্ষরোপণ  বাণিজ্য মেলায় ইসলামী ব্যাংকের প্রিমিয়ার স্টল উদ্বোধন মোজো এখন বাংলাদেশের ‘১ নম্বর’ বেভারেজ ব্র্যান্ড ১ টাকা কমলো ডিজেল-কেরোসিনের দাম, অপরিবর্তিত অকটেন-পেট্রোল ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র দেয়ার আল্টিমেটাম থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি-ফানুস ওড়ানো বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

চাকরির প্রলোভনে ১৪ লাখ টাকা ঘুষ, ২ পুলিশ বরখাস্ত

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১১ মে, ২০২৪
  • ৭৮ বার দেখা হয়েছে

মাদারীপুর প্রতিনিধি : মাদারীপুরে পুলিশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর পুলিশ কনস্টেবল তানজিলা আক্তার ও শহিদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার (১১ মে) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও জেলা পুলিশ সংবাদ বিজ্ঞাপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর এলাকার রবিদাসের ছেলে রতন দাসের কাছ থেকে পুলিশে নিয়োগ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তানজিলা আক্তার ও শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শুক্রবার (১০ মে) ও শনিবার (১১ মে) বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

রতন দাস একটি দোকানে কাজ করেন। সেখানে পরিচয় হয় পুলিশ সদস্য তানজিলা আক্তারের সঙ্গে। পরে পুলিশে নিয়োগের সময় তানজিলা আক্তার চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে রতনের কাছ থেকে ১৪ লাখ টাকা নেন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য তানজিলা নিজের স্বাক্ষরযুক্ত কমিউনিটি ব্যাংকের একটি চেকও দেন। এদিকে, পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পর চাকরি না হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েন ভুক্তভোগী রতন দাস। উপায় না পেয়ে লিখিত অভিযোগ করেন পুলিশ সুপার বরাবর।

চাকরি প্রত্যাশী রতন দাস বলেন, ‘পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ১৪ লাখ টাকা নিয়েছেন তানজিলা আক্তার। কিন্তু চাকরি দিতে পারেননি। সেই টাকা দিয়ে তানজিলার স্বামী ফরিদপুরের ভাঙ্গাতে ব্যবসা শুরু করেছেন। টাকা ফেরত চাইলে তিনি বিভিন্ন টালবাহানা করছেন। আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সময় একটি চেকও দিয়েছিলেন। এই ঘুষ নেওয়ার সঙ্গে পুলিশ কনস্টেবল শহিদুল ইসলামও জড়িত।’

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মনিরুজ্জামান ফকির বরখাস্তের বিষয় নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সংবাদ প্রকাশের পর সিনিয়র কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

শেয়ার দিয়ে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ