প্রকাশ: ০৪:১৩:০০ পিএম, ০৪ জানুয়ারি ২০১৯
মুশফিকের বিশ্বাস চমক দেখাবে চিটাগং ভাইকিংস

প্রথমে অংশগ্রহণ নিয়েই গড়িমসি, পরে পুরোনো মালিকানাতেই দল নেয়া। কিন্তু দল গঠনের সময় সে অর্থে ভারী দল করতে পারেনি বন্দর নগরী চট্টগ্রামের ফ্র্যাঞ্চাইজি চিটাগং ভাইকিংস। অন্যসব দলের তুলনায় তারকাদের মেলা নেই চিটাগাংয়ে।

কিন্তু এ নিয়ে ভাবতে রাজি নন চিটাগংয়ের নতুন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। গত আসরে রাজশাহী কিংসে খেলা মুশফিক, এবার নতুন ঠিকানা পেয়েছেন চিটাগাংয়ে। ষষ্ঠ আসরে নিজের ষষ্ঠ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে অধিনায়কত্ব করবেন তিনি।

এর আগে দুরন্ত রাজশাহী, সিলেট সুপারস্টারস, সিলেট রয়্যালস, বরিশাল বুলস ও রাজশাহী কিংসের অধিনায়কত্ব করেছেন মুশফিক। প্রতি আসরেই নতুন নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির দায়িত্ব নেয়াটা নিশ্চয়ই সহজ কাজ নয়। তবে এটি ব্যক্তিগতভাবে উপভোগই করেন মুশফিক।

শুক্রবার অনুশীলনের ফাঁকে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুশফিক বলেন, ‘এটা (অধিনায়কত্ব) সম্মানের ব্যাপার, উপভোগের ব্যাপার। একই সাথে চ্যালেঞ্জিংও বটে। কারণ প্রত্যাশা বেশি থাকে। দলের মালিকপক্ষ বা সমর্থকদের পক্ষ থেকেও চাপ থাকে। অনেক দিন পর দায়িত্ব এসেছে। চেষ্টা করবো পারফর্ম্যান্স দিয়ে চিটাগংকে গত আসরের চেয়ে ভালো একটা ফলাফল দেয়ার।’

এসময় টুর্নামেন্টে নিজের ব্যক্তিগত প্রত্যাশার কথা জানাতে গিয়ে মুশফিক বলেন, ‘আমি যতোবারই বিপিএল খেলেছি, চেষ্টা করেছি নিজের সর্বোচ্চটা দেয়ার। অনেক সময় হয়, অনেক সময় হয় না। সত্য কথা হলো, অধিনায়ক সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলে দলের জন্য কাজ সহজ হয়ে যায়। এবারও তাই চেষ্টা থাকবে।’

অধিনায়ক হিসেবে মুশফিকের কাজটা সহজ হতো যদি তার দলে থাকতো তারকা ক্রিকেটারদের মেলা। কিন্তু চিটাগংয়ের সে অর্থে নেই কোনো বড় নাম। তবু টুর্নামেন্টে তার দল চমক নিয়েই হাজির হবে বলে বিশ্বাস করেন মুশফিক।

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের ভালো কিছু করার সুযোগ আছে। আমাদের বিশ্বাস চিটাগং কিছু চমক দেখাতে পারবে। কিছু কিছু প্লেয়ার আছে, যারা খুব ভালো কিছু করবে বলে বিশ্বাস করি। বিদেশি ক্রিকেটাররা আসছে মানে বিপিএল বিশ্বের কাছে আরো বেশি মর্যাদাপূর্ণ হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে আমরা অনেক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাই। তরুণরা বিদেশি অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সাথে ড্রেসিং রুম ভাগ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করে এবং অনেক কিছু শেখার সুযোগ পায়। এবারের বিপিএল আশা করি খুব ভালো হবে এবং সফল হবে।’